ভিয়েতনাম থেকে কারখানা কার্যক্রম ভারতে সরাচ্ছে স্যামসাং

বিজ নিউজ ডেস্ক: কভিড মহামারী থেকে পুনরুদ্ধার প্রক্রিয়ায় স্যামসাংয়ের জন্য মাথাব্যথার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে ভিয়েতনামে তাদের কারখানা কার্যক্রম বারবার বন্ধ হয়ে যাওয়া। ভিয়েতনামের কারখানাটি স্যামসাংয়ের অন্যতম বৃহৎ কারখানা হওয়ায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে তার বিক্রি। সেখান থেকে ঘুরে দাঁড়াতে ভিয়েতনামে স্যামসাংয়ের কিছু কারখানা কার্যক্রম ভারতে সরিয়ে নেয়া হচ্ছে। খবর গিজমোচায়না।

দক্ষিণ কোরিয়াভিত্তিক প্রযুক্তি জায়ান্টটি তাদের সাতটি প্রধান কারখানাতে কার্যক্রম ঢেলে সাজাচ্ছে। নতুন পরিকল্পনায় কোনো কারখানার হাতেই ৩০ শতাংশের অধিক উৎপাদনের নিয়ন্ত্রণ দেবে না স্যামসাং। এ পদক্ষেপের ফলে ভিয়েতনামের দুটি কারখানায় বার্ষিক উৎপাদন ১৮ কোটি ২০ লাখ ইউনিট থেকে কমে ১৬ কোটি ৩০ লাখ ইউনিটে দাঁড়াবে।

দীর্ঘদিন ধরেই নিজেদের কারখানা কার্যক্রম ঢেলে সাজানোর চেষ্টা করছিল স্যামসাং। করোনার প্রতিক্রিয়া এ সিদ্ধান্ত দ্রুত কার্যকরে বাধ্য করেছে। ভারতে কার্যক্রম সরানোর ফলে এশিয়ার দ্বিতীয় বৃহত্তম বাজারটিতে নিজেদের অবস্থান আরো শক্তিশালী হবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা। ২০২৬ সালের মধ্যে ভারতের কারখানায় ১০ কোটি ৮০ লাখ স্মার্টফোন উৎপাদন করতে পারে স্যামসাং। ২০২৪ সালের মধ্যে ভারতীয় কারখানাটি স্যামসাংয়ের বৃহত্তম কারখানা হিসেবে দাঁড়াবে।

দক্ষিণ কোরিয়ার বাইরে যেসব দেশে স্যামসাংয়ের কারখানা রয়েছে সেগুলো হচ্ছে ভারত, ইন্দোনেশিয়া, ভিয়েতনাম ও ব্রাজিল। ভিয়েতনামে সংকটের কারণেই যে কিছু কার্যক্রম ভারতে সরানো হচ্ছে এমন নয়, বরং দক্ষিণ এশিয়ার বৃহত্তম স্মার্টফোন বাজারে নিজেদের অবস্থান শক্তিশালী করার পরিকল্পনাও এতে ভূমিকা রাখছে। ২০২৬ সালের মধ্যে স্যামসাংয়ের মোট উৎপাদনের ২৫ শতাংশ ভূমিকা রাখবে ভারত। ভিয়েতনাম, ইন্দোনেশিয়া ও ব্রাজিলের অবদান থাকবে যথাক্রমে ২০, ১৪ ও ৬ শতাংশ।

Leave a Reply

Your email address will not be published.