প্রথমার্ধে ১৫ শতাংশ মুনাফা কমেছে এইচএসবিসি ব্যাংকের

বিজ নিউজ ডেস্কবছরের প্রথমার্ধে ১৫ শতাংশ মুনাফা কমেছে এইচএসবিসি ব্যাংকের। তবে মুনাফা আরো নিম্নমুখী হওয়ার আশঙ্কা করা হচ্ছিল। এ সময় ঋণখেলাপিদের সংখ্যাও ঊর্ধ্বমুখী রয়েছে প্রতিষ্ঠানটির। সম্প্রতি রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে। যুদ্ধ, কভিড-১৯ মহামারীর কারণে বিশ্ব অর্থনীতি অনিশ্চয়তার সম্মুখীন। এ সত্ত্বেও মুনাফা ঊর্ধ্বমুখী হওয়ার বিষয়ে আশাবাদী এইচএসবিসি। ২০২৩ সাল থেকে স্বল্পমেয়াদি ইক্যুইটি আয়ের লক্ষ্য অন্ততপক্ষে ১২ শতাংশে স্থির করেছে ব্যাংকটি।

যুক্তরাজ্যভিত্তিক প্রতিষ্ঠানটি জানায়, চলতি বছরের ৩০ জুন পর্যন্ত ছয় মাসে ব্যাংকটির করপূর্ব মুনাফা দাঁড়িয়েছে ৯২০ কোটি ডলারে। গত বছরের একই সময়ে ব্যাংকটির করপূর্ব মুনাফা ছিল ১ হাজার ৮৪ কোটি ডলার। যদিও বছরের প্রথমার্ধে বিশ্লেষকদের পূর্বাভাসে বলা হয়েছিল মুনাফা হবে ৮১৫ কোটি ডলার।

এইচএসবিসি ব্যাংক জানায়, প্রতিষ্ঠানটি শেয়ারপ্রতি ৯ সেন্ট লভ্যাংশ দেবে। এর আগে প্রান্তিকভিত্তিক লভ্যাংশ দিত প্রতিষ্ঠানটি। আগামী বছর থেকে আবারো প্রান্তিকভিত্তিক লভ্যাংশ দেয়া শুরু করবে এইচএসবিসি।

এ বিষয়ে এইচএসবিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা নোয়েল কুইন বলেন, আমাদের শেয়ারহোল্ডারদের লভ্যাংশ দেয়ার গুরুত্ব আমরা বুঝি। শিগগিরই লভ্যাংশ দেয়ার সময় কভিডপূর্ব স্তরে নিয়ে যাওয়ার লক্ষ্য আমাদের।

এইচএসবিসি জানায়, বছরের প্রথমার্ধে মুনাফার শেয়ার ৬৯ শতাংশে পৌঁছেছে। অথচ গত বছর একই সময়ে এ হার ছিল মাত্র ৬৪ শতাংশ।এদিকে শেয়ারহোল্ডারদের থেকে চাপও আসছে প্রতিষ্ঠানটির ওপর। এইচএসবিসির বৃহত্তম শেয়ারহোল্ডার পিং অ্যান্ড ইন্স্যুরেন্স গ্রুপ কোম্পানি অব চায়না লিমিটেড বিভিন্ন কৌশল অবলম্বনের জন্য জোর দিচ্ছে ব্যাংকটিকে। এরই মধ্যে হংকংয়ের এক রাজনীতিবিদ হংকংয়ের এশিয়ার ব্যবসা স্বাধীন করে দিয়ে বোর্ডে পিং অ্যান ইন্স্যুরেন্স গ্রুপকে নিযুক্ত করার বিষয়ে জোর দিয়েছেন। ব্যাংকটি জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের ব্যবসা পুনর্গঠনের জন্য কাজ করছে প্রতিষ্ঠানটি।

এক বিবৃতিতে এইচএসবিসির সিইও নোয়েল কুইন জানান, ক্লায়েন্টরা আমাদের সঙ্গে কাজ করতে আগ্রহী। ক্লায়েন্টদের চাহিদা অব্যাহতভাবে ঊর্ধ্বমুখী রয়েছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published.